মুহাম্মদ মোবারক আলী
আপডেট: ২০২০-০৩-১২ , ১০:০৫ এএম
২০১৮ সালের ১২ই মার্চ কাঠমান্ডু ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় দুর্ঘটনায় পড়ে বিমানটি। এতে আরোহীদের ৫১ জনের মৃত্যু হয়, যাদের ২৭ জনই ছিলেন বাংলাদেশি আর ২২ জন নেপালি।
দুই বছর আগের সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কাঁদিয়েছিলো গোটা দেশকে। ঢাকা থেকে ৬৭ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু নিয়ে ২০১৮ সালের ১২ই মার্চ দুপুরে কাঠমান্ডু ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় রানওয়ে থেকে আছড়ে পড়ে বিমানটি।
মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় বিমানটিতে। আরোহীদের ৫১ জনের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে প্রাণ হারান বাংলাদেশের ২৭ জন। এদের মধ্যে বিমানের পাইলট আবিদ সুলতান এবং কো-পাইলট পৃথুলা রশীদও নিহত হন।
এ ঘটনার পর শুরু হয় তদন্ত। বিমান দুর্ঘটনার জন্য পাইলটের ভুল সিদ্ধান্ত এবং তার আচরণকে দায়ী করে নেপালের তদন্ত কমিটি। যদিও নেপাল সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির এ রিপোর্ট শুরু থেকেই প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু ত্রিভুবন বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার ও ক্রুদের যোগাযোগের সমস্যাকেও দায়ী করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশের নিহত ২৫ জন ও নেপালের ৬ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে। সেইসাথে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণ বাবদ ৭ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি থেকে।
প্রসঙ্গত, নেপালের একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্রিভুবন পাহাড়ের উপত্যকায় হওয়ায় এই বিমানবন্দরটি বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোর একটি।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.