খুলশীতে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর মামলায় ওয়াকিল বগার ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার

 নিজস্ব প্রতিনিধি
আপডেট: ২০২৬-১০-০৬ , ০৫:৩৫ পিএম

খুলশীতে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর মামলায় ওয়াকিল বগার ৩ সহযোগী গ্রেপ্তার ছবি: নাগরিক পত্রিকা

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানা এলাকায় চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগে কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ওয়াকিল হোসেন বগার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) খুলশী থানাধীন জালালাবাদ সী-বিচ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ফাতেমা আক্তার প্রকাশ বালি (৪৫), মো. বাবলু প্রকাশ বাবু (৪৭) এবং মো. আবু তাহের প্রকাশ কালু (৩০)। তাদের বিরুদ্ধে খুলশী থানায় দায়ের করা মামলায় চাঁদাবাজি, ভাঙচুর, হামলা, চুরি, লুটপাট ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ একাধিক ধারায় অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সোহেল পারভেজ এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (বায়েজিদ বোস্তামী জোন) মোহাম্মদ আরিফ হোসেনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় অভিযানটি পরিচালিত হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোহাম্মদ নাসিম হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এতে অংশ নেয়।

মামলার এজাহার সূত্রে পুলিশ জানায়, খুলশী থানাধীন পশ্চিম খুলশীর জেলা প্রশাসন পরিবহনপুর (ডিসিপুর) আবাসিক এলাকায় বাদীর তিনটি প্লট রয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াকিল হোসেন বগার নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ওই প্লটগুলো দখলের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাদীর কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ২৭ এপ্রিল রাতে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই প্লটে প্রবেশ করে সশস্ত্র মহড়া দেয়। এ সময় বাদীর ভাড়াটিয়াদের কাছে চাঁদার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তারা বিষয়টি জানেন না বললে টিনের দুটি ঘর ভাঙচুর করা হয় এবং ঘরের মালামাল ও তিনটি ক্যামেরাসহ সিসিটিভি সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

পুলিশের নথি অনুযায়ী, পরবর্তীতে গত ৯ মে রাতে বাদীর কেয়ারটেকার ও ভাড়াটিয়া মামুনকে জোরপূর্বক নিয়ে গিয়ে পুনরায় চাঁদা দাবি এবং মারধরের অভিযোগও করা হয়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্ত ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার তিনজনকে মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।