আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 সিটিজেন নিউজ ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-১০-০৬ , ০৯:৩১ এএম

আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ছবি: সিটিজেন নিউজ

বুয়েটের শিক্ষার্থী নিহত আবরার ফাহাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বুয়েটের শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র ও তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে গত বছরের ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়।

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় সব মিলিয়ে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর চার্জশিট তৈরি করে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। মামলার আসামিরাও সবাই ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী।

আজ আবরার হত্যার এক বছর পূর্ণ হলেও এখনও শেষ হয়নি মামলার রায়ের কাজ। দ্রুত সময়ে সব আসামিদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি পরিবারের।

১৩ ই মে ১৯৯৮ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আবরার ফাহাদ। আবরার প্রথমে কুষ্টিয়া মিশন স্কুল ও জেলা স্কুলে লেখাপড়া শেষ করে ২০১৮ সালে ৩১ মার্চ তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তি হন।

তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের লেখাপড়াকালীন ২০১৯ সালে ৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের এক নেতার কক্ষে নিয়ে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয় আবরারকে। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের মামলার এজাহারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাসহ প্রথমে ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তবে তদন্তের পরে আসামির সংখ্যা ২৫ জন করা হয়। তবে তার বিচারকার্য শেষ হয়নি এখনো।

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় সব মিলিয়ে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর চার্জশিট তৈরি করে ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশ। এক বছর পূর্ণ হলেও আবরার হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শেষ হয়নি এখনো।

আবরারের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, ন্যক্কারজনক এই হত্যাকাণ্ডের এক বছর পূর্ণ হলেও এখন পর্যন্ত বিচার কাজ শেষ হয়নি। আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনি।

প্রতিবেশীরা জানান, মেধাবী শির্ক্ষার্থী আবরার ফাহাদ দেশের সম্পদ ছিল। নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হলেও আসামিরা এখনো শাস্তির আওতায় আসেনি। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তারা।

২০১৯ সালের ৭ই অক্টোবর ভোররাতে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বুয়েটের শেরে বাংলা হল থেকে। দেশের অন্যতম এই বিদ্যাপিঠে একজন শির্ক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি ব্যপকভাবে সমালোচিত হয়। এরপর এই ঘটনার সাথে যুক্ত অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে মাঠে নামে সারা দেশের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ।