বনানী কবরস্থানে শায়িত হলেন সাহারা খাতুন

 নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-০৭-১১ , ১২:১৪ পিএম

বনানী কবরস্থানে শায়িত হলেন সাহারা খাতুন ছবি: সিটিজেন নিউজ

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার (১১ জুলাই)বেলা ১১টার দিকে বনানী কবরস্থানে তার দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাইতুশ শরফ জামে মসজিদে তার প্রথম জানাজা হয়। এরপর বেলা ১১টার দিকে বনানী কবরস্থানে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার দিনগত রাত ২টার দিকে সাহারা খাতুনের মরদেহ বহনকারী বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

প্রসঙ্গত, নানা জটিলতা নিয়ে অসুস্থ সাহারাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককে নেওয়া হয়েছিল, ভর্তি করা হয়েছিল বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, গত ২ জুন সাহারা খাতুন জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ১৯ জুন সকালে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

এরপর অবস্থার উন্নতি হলে তাকে গত ২২ জুন দুপুরে আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে (হাইডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়। পরে ২৬ জুন সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবারো তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়।

এরপর তার অধিকতর উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ জুলাই তাকে থাইল্যান্ড নেয়া হয়। সেখানে বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নেন।

১৯৪৩ সালের পহেলা মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্ম গ্রহণ করেন সাহারা খাতুন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য। তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন তৃতীয় মেয়াদ ঢাকা-১৮ আসনের সংদস সদস্য হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এর আগে, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর প্রথমে তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে তিনি পান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।