নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-০৫-২১ , ০৪:২৩ পিএম
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের আগাম প্রস্তুতির জন্য ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবারও শেখ হাসিনার সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যার ফলে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসন শুরু করতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংসদ ভবনে সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ সব কথা বলেন।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সুপার সাইক্লোন আম্ফান ইতোমধ্যে আঘাত হেনেছে বেশকটি জেলায়। ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক না হলেও একেবারে কম হয়নি। সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী যশোর, হাতিয়াসহ বেশ কিছু এলাকায় জলোচ্ছ্বাস, ঘরবাড়ি ধ্বংস, বেড়িবাঁধের ক্ষতিসহ ফসলহানি ঘটিয়েছে। এমনকি কিছু কিছু যায়গায় প্রাণহানিও ঘটেছে।
ওবায়দুল কাদের আম্ফানে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আশঙ্কা ও পূর্বাভাস অনুযায়ী কম ক্ষয়ক্ষতিতে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও শুকরিয়া জানান।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সরকার দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসনে প্রস্তুতি যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঝড়ের আগে জেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং আওয়ামী লীগ কর্মীরা প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসনে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।
কাদের বলেন, ‘আল্লাহর রহমত, পবিত্র লাইলাতুল কদরের রজনীতে মানুষের দোয়া এবং শেখ হাসিনা সরকারের পূর্বপ্রস্তুতি আমাদের এ ঘূর্ণিঝড় থেকে অল্প ক্ষতির মধ্য দিয়ে উত্তরণ ঘটিয়েছে। এর পাশাপাশি সুন্দরবন সুরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করেছে।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.