গণপরিবহনে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি

 সিটিজেন নিউজ ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-০৮-২৩ , ১২:২৫ পিএম

গণপরিবহনে বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের দাবি ছবি: সিটিজেন নিউজ

দেশব্যাপী চলমান গণপরিবহনে হাতাহাতি, মারামারিসহ ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে করোনাকালে বাসের ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। রোববার (২৩ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, করোনা সংকটে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চালানোর জন্য বাসের ভাড়া একলাফে ৬০ শতাংশ বাড়ানো হলেও এখন দেশের কোনও গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। বর্ধিত ভাড়া নিয়ে সেই পুরনো কায়দায় গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এতে করোনা সংকটে কর্মহীন ও আয় কমে যাওয়া দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। এতে করে সারাদেশে প্রায় প্রতিটি রুটে চলাচলকারী গণপরিবহনে যাত্রী-শ্রমিক বশচা (গ্যাঞ্জাম), হাতাহাতি, মারামারি চলছে।

সরকার করোনাকালে পরিবহন সেক্টরে কোনো প্রকার ভুতর্কি না দিয়ে মালিকদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে করোনার সংকটে থাকা দেশের সাধারণ জনগণের ওপর একচেটিয়াভাবে বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়।অযৌক্তিকভাবে চাপিয়ে দিলে সাথে সাথে দেশব্যাপী চলাচলরত বাস-মিনিবাসের সঙ্গে লেগুনা, হিউম্যান হলার, টেম্পু, অটোরিকশা, প্যাডেলচালিত রিকশা, ইজিবাইক, নসিমন-করিমন, টেক্সিক্যাবসহ সব প্রকার যানবাহনের ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এতে যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে উপেক্ষিত হয়, ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানিকে আরেক দফা উসকে দেয়া হয়। সে সময়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে এ ভাড়া বৃদ্ধির তীব্র বিরোধিতা করা হলেও তা আমলে নেয়া হয়নি বলে বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়। একই সাথে অবিলম্বে গণপরিবহণের বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহার করে দেশের প্রতিটি রুটে বর্ধিত ভাড়া পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।