বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা নিহত; অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার

 কক্সবাজার প্রতিনিধি
আপডেট: ২০২০-০৭-০৬ , ০৯:৩৫ এএম

বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা নিহত; অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার ছবি: ইন্টারনেট

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১১টার উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওযাব্রাং নানির বাড়ি বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিজিবির তিনজন সদস্য আহত হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।

নিহত দুজন হলেন, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরের জি-ব্লকের ২/ই শেডের বাসিন্দা মোহাম্মদ শফির ছেলে মোহাম্মদ আলম (২৬) ও উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরের কে ব্লকের কে/৩ এর বাসিন্দা মোহাম্মদ এরশাদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ ইয়াসিন (২৪)।

বিজিবির দাবি, নিহত যুবক দুজন মাদক ব্যবসায়ী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা। তাদের কাছ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা, একটি চায়না পিস্তল ও দুটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান গণমাধ্যমকে জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ওযাব্রাং নানির বাড়ি বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবি। এ সময় তিন-চারজন ব্যক্তিকে নাফ নদী পার হয়ে বেড়িবাঁধে উঠতে দেখেন। টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে সশস্ত্র ইয়াবা কারবারিরা অতর্কিতে গুলি ছোড়ে। এতে বিজিবির তিন সদস্য আহত হন। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে ৪-৫ মিনিটের মতো গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে ইয়াবা কারবারিরা গুলি করতে করতে কেওড়া বাগানের ভেতর দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। গোলাগুলি থামার পর টহলদল ঘটনাস্থল তল্লাশি চালিয়ে ৫০ হাজারটি ইয়াবা বড়ি, একটি চায়না পিস্তল ও দুটি গুলিসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজন উদ্ধার করে। গুলিবিদ্ধ দুজন ও বিজিবির তিনজন সদস্যকে দ্রুত টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

বিজিবির অধিনায়ক বলেন, গুলিবিদ্ধ দুজনকে রাতেই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।