প্রান্তিক করোনা রোগী সেবায় ‘সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল’

 নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-০৭-০২ , ১০:৩১ এএম

প্রান্তিক করোনা রোগী সেবায় ‘সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল’ ছবি: সিটিজেন নিউজ

করোনাভাইরাসের প্রান্তিক রোগীদের চিকিৎসা সেবায় তৈরি হলো ‘সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল।’ চট্টগ্রাম নগরীতে রোগীদের এ চিকিৎসা সেবা দিতে মাত্র দু’সপ্তাহে তৈরি করা হয়েছে এ হাসপাতাল। বুধবার পতেঙ্গায় বি কে কনভেনশন সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান।

তবে, আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রোগীদের ভর্তি শুরু হচ্ছে বলে জানানো হয়।

সাধারণ মানুষের টাকায় নির্মিত এই ১শ’ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল ব্যবহৃত হবে জনগণের সেবায়। যেখানে শুধুমাত্র আইসিইউ ছাড়া বাকি সব সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

জানা যায়, করোনা রোগীর সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়তে থাকায় পুরো চিকিৎসা কার্যক্রমই ভেঙে পড়ার উপক্রম। হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও করোনা রোগীরা সেবা পাচ্ছেন না।

এমতাবস্থায়, করোনা রোগীদের সেবায় এগিয়ে এসেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। পুলিশের সহযোগিতায় নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় মাত্র দু'সপ্তাহে তৈরি করেছে ১শ’ শয্যার ফিল্ড হাসপাতাল।

সিএমপি কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান জানান, আমরা এই হাসপাতালের মাধ্যমে নগরবাসীকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। যারা প্রান্তিক লেভেলের করোনা রোগী আছেন তারা এই হাসপাতালে সেবা পাবেন। 

এই হাসপাতালে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিটি বেডের সাথে সংযুক্ত থাকছে করোনা রোগীদের জন্য অত্যাবশীয় অক্সিজেন সিলিন্ডার।

রয়েছে ২০টি হাই ফ্লো অক্সিজেন সুবিধা সংবলিত বেড। ১২ জন চিকিৎসক, ১৮ জন নার্স ও ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও সেবার দায়িত্বে।

একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিটি বেডে অক্সিজেন সংযোগও রাখা হয়েছে। এছাড়াও রোগীদের যাতায়াত সুবিধায় থাকবে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসও রাখা হয়েছে।

হাসপাতালে ফিমেল এবং মেল আলাদা ওয়ার্ড রয়েছে। থাকবে ইনডোর এবং আউটডোর চিকিৎসা সেবা।

সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (জনসংযোগ) মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক বলেন, নগরের জনসাধারণ এই হাসপাতালের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করোনা টেস্ট করাতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ১০টি করে স্যাম্পল সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সেবাও পাবেন বিনামূল্যে।

এই হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসকদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি চিকিৎসকরা এখানে স্বেচ্ছাশ্রমে চিকিৎসা দিবেন।