‘র‌্যাব আরে কীজ্জে দে?’-বলা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা

 নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-০৬-১৯ , ১০:৩৯ পিএম

‘র‌্যাব আরে কীজ্জে দে?’-বলা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা ছবি: সিটিজেন নিউজ

দুবাই প্রবাসীর বাড়ি নির্মানে চাঁদা দাবিতে অবৈধ প্রবেশ এবং মারধরের ঘটনায় অবশেষে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানায় এ মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলায় প্রধান আসামী করা হয় স্থানীয় সন্ত্রাসী আমিনুর রহমান সুমনকে (৩৮)। এছাড়াও রবিন, খোকন ও জাহিদসহ আরও ১০-১২ জনকে।

গত সোমবার (১৬ জুন) সিটিজেন নিউজ তাদের চাঁদাবাজির বিষয়ে ‘এদিন্ন্যে একজনওরে মারি... র‌্যাব আরে কীজ্জে দে?’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ ব্যাপক অনুসন্ধান ও তদন্ত করে অবশেষে আজ শুক্রবার (১৯ জুন) তাদের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দুবাই প্রবাসী কামরুল হাসান টিপু বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন নয়ারহাটের কালারপুল এলাকার নিজস্ব জায়গায় বাড়ি নির্মানের কাজ শুরু করতে গেলে স্থানীয় সন্ত্রাসী আমিনুর রহমান সুমনের নেতৃত্বে রবিন, খোকন ও জাহিদসহ আরও ১০-১২ জন ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে বাড়ি নির্মানের কাজ বন্ধ করে দেয়।

মামলার বাদি মো. সেলিম (জায়গার মালিক কামরুল হাসান টিপুর আত্মীয়) সিটিজেন নিউজকে জানান, চলতি মাসের ১২ তারিখে আমার ছোট বোনের স্বামী কামরুল হাসান টিপুর জায়গায় বাড়ি নির্মানের জন্য আমি কাজ শুরু করলে স্থানীয় সন্ত্রাসী আমিনুর রহমান সুমনের নেতৃত্বে রবিন, খোকন ও জাহিদসহ আরও ১০-১২ জন লাঠিসোঠা নিয়ে আমাকে মারধর করে জোরপূর্বক কাজ বন্ধ করে দেয়। এ সময় আমিনুর রহমান সুমন ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আমার কাছে।

তিনি বলেন, ওই দিনই বায়েজিদ বোস্তামী থানায় আমি একটি অভিযোগ দায়ের করি। পরে পুলিশ তদন্ত করে আজ শুক্রবার তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা রেকর্ড করে।

মামলার তদন্তকারী অফিসার উপ পরিদর্শক (এসআই) নয়ন সিটিজেন নিউজকে বলেন, মো. সেলিম বাদি হয়ে আমিনুর রহমান সুমন, রবিন, খোকন ও জাহিদসহ আরও অজ্ঞাত ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার সিটিজেন নিউজকে বলেন, এক প্রবাসীর বাড়ি নির্মানে স্থানীয় কয়েকজন সন্ত্রাসী চাঁদার দাবিতে মো. সেলিমকে মারধর করে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান ওসি।

এ ঘটনায় স্থানীয় ও ভুক্তভোগীরা আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি জানিয়ে পুলিশের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।