করোনা: ৬০ জন হলেই রেড জোন

 নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-০৬-১৩ , ১১:০৪ এএম

করোনা: ৬০ জন হলেই রেড জোন ছবি: সিটিজেন নিউজ

করোনা মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে জোন ভাগের প্রক্রিয়া প্রায় চুড়ান্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কোনও এলাকায় যদি করোনা রোগীর সংখ্যা ৬০ জন হয় তবে সেটি হবে রেড জোন। ৬০ জনের কম হলে হলুদ। আর যদি তিন সপ্তাহে ওই নির্দিষ্ট এলাকায় করোনা রোগী শনাক্ত না হয় তবে গ্রীন জোন। এক্ষেত্রে নির্ণায়ক হবে আক্রান্তের সংখ্যা, প্রতি লাখের হিসাব, প্রতিদিন শনাক্তের পরিমাণ আর তথ্যবহুল ম্যাপিং এর উপর।

চারটি মানদণ্ডের বিচারে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোর মানচিত্র হতে যাচ্ছে তিন রঙের। আক্রান্তের সংখ্যা, প্রতি লাখের হিসাব, প্রতিদিন শনাক্তের পরিমাণ আর তথ্যবহুল ম্যাপিং এসবের ভিত্তিতে খসড়া তৈরি করেছেন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।  

গ্রীন জোন নিরাপদ হলেও, থাকছে কিছু বিধি-নিষেধ। দুজনের বেশি চলাচল নয়, মাস্ক ব্যবহার ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জোনের বাইরে গেলেও ফিরতে হবে দুই ঘণ্টার মধ্যেই। আর ব্যক্তিগত গাড়ি দিনে দু'বারের বেশি ব্যবহার নয়।

আর রেডজোন মানেই বিপদজনক এলাকা, এক লাখ বাসিন্দার মধ্যে করোনা রোগীর সংখ্যা ৬০ এর বেশি। জোনটি পুরোপুরি সীমাবদ্ধ এলাকা, প্রতি সপ্তাহে পরিবর্তন হতে পারে রঙও। এ এলাকায় গণজমায়েত সম্পূর্ণ নিষেধ। জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসাকেন্দ্র ছাড়া, যে কারও ভেতরে ঢোকা ও বের হওয়া বারণ। নিয়মের বেড়াজাল আছে যান চলাচল ও কারখানা চালুতেও।

সবগুলো জোনই নির্ধারণ হচ্ছে শহরের ম্যাপ অনুযায়ী। জোনের মধ্যে থাকতে পারে সাবজোনও। প্রতি সপ্তাহেই মূল্যায়ন করা হবে প্রতিটি জোন।

তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক গণমাধ্যমকে জানান, রবিবার বা সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হবে এই প্রক্রিয়া।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে রাজধানীসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে।

১২টি কর্ম পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে জোনগুলো। বিধি-নিষেধ তদারকিতে থাকবেন, মেয়র, কাউন্সিলর, তরুণ সমাজ, বয় স্কাউটসহ স্থানীয়রা।