জসিম উদ্দিন | মোংলা প্রতিনিধি
আপডেট: ২০২০-০৪-২৭ , ১২:০৪ পিএম
ছবি: সিটিজেন নিউজ
করোনা দূর্ভোগে কর্মহীন হয়ে মানুষের আয় উপার্জন রয়েছে বন্ধ। এর ফলে জীবন চলছে তাদের খেয়ে না খেয়ে যেনতেন ভাবে। তখনি রমজানের শুরুতে মোংলায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাড়তি দামের কারনে অসহায় হয়ে পড়েছে গরীব আর মধ্য বিত্ত পরিবারের মানুষ গুলো।
মোংলার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অনেক বেড়েছে। কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, ২৫ টাকার শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, দেশী মশুরের ডাল কেজিতে বেড়েছে ১০-১৫ টাকা, রশুনের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৩০-৪০ টাকা। শুকনো মরিচের দাম ১০০ টাকা বেড়ে এখন ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি। শুধু রমজানের অজুহাত দেখিয়ে ৮০ টাকার মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকায়। মুল্য তালিকা টাঙ্গানো হয়। তবে গ্রাহকদের চোখ এড়াতে ঢেকে রাখা হয়। শুধু মাত্র প্রশাসনের লোক দেখলে দৃশ্যমান স্থানে লাগানো হয়।
এছাড়া কাঁচা বাজারেও প্রতিটি পণ্যের দাম আগের তুলনায় বেড়েছে। ২০ টাকার আলু বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকায়, ২/৩ দিনের ব্যবধানে যে কোন শাক- সবজি'র দ্বিগুন দামে বিক্রি করছে দোকানীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই কাচামাল ব্যবসায়ী জানান,খুলনা থেকে সবাই মালামাল আনতে পারেন না। ৪/৫ জন পাইকার রয়েছে মোংলা কাচা বাজারে। রয়েছে তাদের সমিতি। পাইকার আর সমিতির সিদ্ধান্তে তারা বেশি দামে পন্য বিক্রি করে থাকেন।
চালের বাজার কয়েক দিন সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও আবার হঠাৎ করে বেড়েছে চালের দাম।
তবে পরিবহন বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতে না পারায় মাছের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে।
মোংলার মাদ্রাসা রোড়ের ব্যবসায়ী আঃ মজিদ জানান,করোনার দূর্ভোগের সময় মানুষদের জিম্মি করতে মোংলা বাজারে যে সিন্ডিকেট চক্র রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে বাজারে পন্যের দাম নিয়ন্ত্রনে আসবে।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.