জনভোগান্তি এড়াতে চসিক এলাকায় ‘পে পার্কি’ বন্ধে সিএমপি’র অনুরোধ

 নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২০২০-০২-১১ , ০৪:৪৭ পিএম

জনভোগান্তি এড়াতে চসিক এলাকায় ‘পে পার্কি’ বন্ধে সিএমপি’র অনুরোধ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জন‌ভোগা‌ন্তি এড়া‌তে '‌পে পা‌র্কিং' ব‌ন্ধের অনুরোধ জানানো হয়। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্তকর্তাকে সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোস্তাক আহমেদ খান’র স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানায়।  

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,চট্টগ্রাম মহানগরীতে বর্তমানে ছোট বড় বিভিন্ন প্রকারের প্রায় দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার যানবাহন চলাচল করে। তবে,এসকল যানবাহন চলাচলের জন্য নগরীতে পর্যাপ্ত রাস্তা না থাকার কারণে নগরীর মূল সড়ক, বানিজ্যিক ও আবাসিক এবং বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত গাড়ির চাপ থাকে। এসকল  যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে প্রচন্ড চাপ ও পরিশ্রম করতে হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সম্প্রতি আখতারুজ্জান ফ্লাইওভারের নিচে, ওয়াশা মোড়, সিডিএ রাস্তার পার্শ্বে, নিউমার্কেট এলাকাসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকার রাস্তায় পে-পার্কিং এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই সকল স্থানে পে-পার্কিং প্রদান করা হলে কিছু প্রতিষ্ঠান সর্বদা পে-পার্কিং এ গাড়ি রেখে স্থায়ীভাবে রাস্তাকে নিজেদের পার্কিং স্থান হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ গ্রহণ করবে। পাশাপাশি কিছু কিছু রাস্তা সরু হওয়ায় ওই সকল রাস্তায় পে পার্কিং প্রদান করলে গাড়ি চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যাবে না। এতে অনেক গাড়ি এবং গণপরিবহণ পার্কিং এর স্থান না পেয়ে এলোমেলো ভাবে গাড়ি পার্কিং করবে, যার ফলে অতিরিক্ত যানজট এবং জনভোগান্তির সৃষ্টি হবে মনে করেন সিএমপির সংশ্লিষ্টরা।

বিবেচনাপূর্বক চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় গনপরিবহনে শৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট নিরসনে চট্টগ্রাম মহানগরীর রাস্তা অল্পবৃষ্টিতে ডুবে যায় এবং গাড়ি চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। রাস্তায় পে পার্কিং প্রদান করা হলে বর্ষাকালে চরম যানজটের সৃষ্টি হবে যা নিরসন করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে সিএমপি কমিশনার মাহবুবর রহমান চসিক মেয়ার আ জ ম নাছির উদ্দীনকে অবগত করেন।