নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২০২৫-০১-০৫ , ০১:৪০ পিএম
ছবি: নাগরিক পত্রিকা
প্রায় ১৪ বছর পর হদিস মিলেছে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ জিয়াউল হকের। এরই মধ্যে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ মেজর জিয়া মামলা ও জঙ্গির খাতা থেকে নাম কাটাতে আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামির দাবি, তৎকালীন সরকার তাঁকে সামনে রেখে একের পর এক জঙ্গি নাটক সাজিয়েছে।
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ২৪ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। চ্যানেলটি দাবি করছে, তাদের হাতে বেশ কয়েকটি নথি রয়েছে, যেখান থেকে প্রথমবার শনাক্ত করা গেছে জিয়াকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৯ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয়ে নিজের মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন জিয়া। মোস্ট ওয়ান্টেডের তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়েও আবেদন করেছেন।
ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পুলিশের খাতায় যিনি একজন মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক। কখনো আনসার উল্লাহ (জেএমবি), কখনোবা আইএস ও আল কায়েদার সদস্য হিসেবে দেখানো হয়েছে তাঁকে। জিয়াকে ধরতে সেসময় ২০ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার।
ব্লগার দীপন, অভিজিৎ, জুলহাস হত্যাসহ ৭টি মামলার আসামি জিয়া। যার মধ্যে তিনটি ফাঁসির দণ্ড ঝুলছে তাঁর মাথায়।
মেজর জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেনের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বাইরে থেকে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়া এম সরোয়ারকে ম্যাসেঞ্জারে কল করেন। জিয়া তাঁর আইনজীবীকে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো হয়েছে সেগুলো মিথ্যা। যে ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে তাঁকে গ্রেপ্তারে সেটা প্রত্যাহার করার জন্য সে এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েছে। আইন উপদেষ্টার কাছে আবেদন করেছেন, তার পলিটিক্যাল মোটিভেটেড মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য।
এম সরোয়ার হোসেন জানান, ২০১১ সাল থেকে বিদেশে অবস্থান করছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ জিয়া। তবে কোন দেশে তা জানা যায়নি।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাবেক সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ জিয়াউল হকের সঙ্গে কথা হয়েছে চ্যানেল ২৪-এর। জিয়া বলেন, ‘পা চাটলে সঙ্গী, না চাটলে জঙ্গি। এই ভাবে বিগত ফ্যাসিস্ট ভারতীয় দালাল সরকার জঙ্গি ট্যাগ ব্যবহার করে। তাদের সকল বিরোধী প্রতিপক্ষকে দমিয়ে রেখেছে। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। লোকজনকে বাধ্য করে চার্জশীটে আমার নাম যুক্ত করা হয়েছে।’
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার দাবি, ‘ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে চলায় টার্গেট করা হয়েছিল তাঁকে। ফাঁসানো হয় একের পর এক মিথ্যা অভিযোগে।’
সৈয়দ জিয়াউল হক আরও বলেন, ‘শুরুতে এক সময় জঙ্গি বলা হয়েছে। পরে এক সময় আলকায়দা বলা হয়েছে, পরে আনসার আল ইসলাম বলা হয়েছে। আরেক সময় আইএস বলা হয়েছে। অর্থাৎ যেভাবে চাপে রাখা যায়।’
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.