৭ মাস ধরে নষ্ট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে করোনা শনাক্তের থার্মাল স্ক্যানার

 নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২০২০-০৩-০৯ , ১১:২৮ এএম

৭ মাস ধরে নষ্ট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে করোনা শনাক্তের থার্মাল স্ক্যানার ছবি: ইন্টারনেট

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনাভাইরাস শনাক্তে থার্মাল স্ক্যানারটি গত সাত মাস ধরে নষ্ট। হ্যান্ডহেল্ড স্ক্যানার দিয়েই চলছে দেশের বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

এরপর যাত্রীদের স্বাস্থ্য বিবরণী তৈরি করে তাদের আগামী ১৪ দিন সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এই বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার যাত্রী আসা যাওয়া করলেও করোনাভাইরাস শনাক্তে প্রতিদিন ৯ জন চিকিৎসক পালা করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ করোনা সনাক্তে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বললেও সেটিকে পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন যাত্রীরা।

এদিকে, শুধু বিমানবন্দর নয় করোনাভাইরাস শনাক্তে চট্টগ্রাম বন্দরেও নেই কোনো থার্মাল স্ক্যানার। বন্দরে আসা বিদেশি জাহাজগুলোতে থাকা নাগরিকদের ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রেখে বন্দরে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো তিনজন করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে তাদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে আইইডিসিআর।

আক্রান্তদের মধ্যে একজন মহিলা এবং দুজন পুরুষ রয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন ইতালি থেকে ভ্রমণ করে বাংলাদেশে এসেছেন। তাদের মধ্যে একজনের পরিবারের এক নারী সদস্য তাদের সংস্পর্শে এসে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। তিনজন আক্রান্ত ছাড়া আরও দুইজনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইইডিসিআর।