সিটিজেন নিউজ ডেস্ক
আপডেট: ২০২১-১১-০৭ , ০৭:৫৮ এএম
ছবি: সিটিজেন নিউজ
ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো সারাদেশে চলা পরিবহন ধর্মঘটের ফলে ভোগান্তি চরমে। এ পরিবহন সংকট সমাধানে কালকের মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সব পক্ষ।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, অনিচ্ছা সত্ত্বেও ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ রোববার বিআরটিএ'র ভাড়া পুনঃনির্ধারণ কমিটির বৈঠকে জনগণের উপর বাড়তি চাপ যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকে সে বিষয়ে আলোচনা হবে। মূল্য সমন্বয়ের অজুহাতে কেউ যেন অন্যায়ভাবে দ্রব্যমূল্য ও পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি করতে না পারে সে ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসহ সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন ওবায়দুল কাদের।
পরে তিনি পরীক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও পণ্য পরিবহনসহ জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান।
এদিকে রোববার মন্ত্রণালয়ের সাথে বৈঠকের পর ধর্মঘটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।
ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে রাজধানী থেকে ছেড়ে যায়নি কোন দূরপাল্লার বাস। অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে পৌঁছাতে গুনতে হয় বেশি ভাড়া। এছাড়া ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্য পরিবহনেও ব্যাঘাত ঘটে।
পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর সড়কে সরকারি সংস্থা বিআরটিসি ছাড়া আর কোন বাসের দেখা মেলেনি। বিভিন্ন প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেল ও হিউম্যান হলারে বাড়তি ভাড়া দিয়ে পৌঁছান গন্তব্যে। দূরপাল্লার যাত্রীদের ভ্যান, পিকআপসহ বিভিন্ন বিকল্প যানবাহনে চলাচল করতে দেখা যায়। রাজধানীতে চলা বিআরটিসির বাসগুলোয় ছিল অতিরিক্ত ভিড়। যানবাহন না পেয়ে অনেকে হেঁটেই রওনা দেন গন্তব্যের উদ্দেশে।
এদিকে পরীক্ষাসহ নানা প্রয়োজনে রাজধানীতে এসে ধর্মঘটে আটকা পড়েছেন অনেকে। ফেরার বাস না পেয়ে লঞ্চ, ট্রেন বা বিকল্প যানবাহনে যাত্রা করছেন তারা। সরকার বৃহস্পতিবার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে।
এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার অথবা ভাড়া পুনর্নির্ধারণের দাবিতে শুক্রবার ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করে পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতি। এর জেরে পরিবহন ধর্মঘটের পর ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাবের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আজ থেকে সারা দেশে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন মালিকরা।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.