সিটিজেন নিউজ ডেস্ক:
আপডেট: ২০২১-০১-১০ , ১২:০৪ পিএম
ছবি । সিটিজেন নিউজ
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার আলমশাহ্ পাড়া আল মদিনা কমিউনিটি সেন্টারে হেল্প ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ’র বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। ফাউন্ডেশন এর প্রবাসী সদস্য মুহাম্মদ সেকান্দর আলম উনার বিবাহ উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্টিত ব্লাড ক্যাম্পে বর-কনেসহ প্রায় শতাধিক জনসাধারণ সেবা গ্রহণ করে।
এসময় ফাস্ট সিউকুরিটি ইসলামী ব্যাংক ধামাইরহাট এজেন্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আনোয়ার বলেন,জনসাধারণের রক্তদানে জনসচেতনতার লক্ষ্যে বিয়ের অনুষ্টানে ব্যাতিক্রম ধর্মী প্রোগ্রাম দেখে সত্যি অনেক ভাল লাগতেছে,হেল্প ফাউন্ডেশন সত্যি প্রসংশসার দাবিদার,ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রীতি শুভেচ্ছা ও নবযাত্রায় দম্পতির যুগল সুখী ও সমবৃদ্ধি কামনা করা হয়।
এ সময় হেল্প ফাউন্ডেশন এর সচিব ডাঃ রফিক বিন সালাম সহ সিনিয়র কর্মকর্তারা ও আলোকিত সমাজ সেচ্চাসেবী সংঘের কর্মীরা অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
কেন জরুরি বর-কনের রক্তের গ্রুপ
বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা স্বামী-স্ত্রী ও অনাগত সন্তান—সবার জন্যই জরুরি। অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক অসুখের কারণ হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর বহন করা কিছু জিন। যেমন—থ্যালাসেমিয়া। মা-বাবা এ রোগের বাহক হলে সন্তানেরও হতে পারে। আবার হেপাটাইটিস-বি এমন অসুখ, যা শুধু সন্তান নয়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন আক্রান্ত হলে অন্যজনও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। হেপাটাইটিস-সি লিভারের ক্যান্সার করতে পারে। এটিও বি ভাইরাসের মতো সঙ্গী বা সন্তানের দেহে যেতে পারে। আবার রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই জানা যায় পাত্র-পাত্রীর কেউ সিফিলিস, এইডসসহ অন্য কোনও যৌন রোগে আক্রান্ত কি না।
স্বামীর রক্তের গ্রুপ যদি পজিটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হওয়া ভালো। যদি স্বামীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হয়, তাহলে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে ভালো। পজিটিভ হলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু স্বামীর রক্তের গ্রুপ যদি পজিটিভ হয়, স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই গ্রুপের নেগেটিভ হওয়া চলবে না। আর স্ত্রীর গ্রুপ যদি নেগেটিভ হয়, তবে তার জন্য নেগেটিভ গ্রুপধারী স্বামী হলে অনাগত সন্তানের অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়। যেমন—স্বামীর রক্ত যদি পজিটিভ আর স্ত্রীর যদি নেগেটিভ হয়, তবে প্রথম সন্তানের ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা না হলেও দ্বিতীয় সন্তান থেকে সমস্যা শুরু হতে পারে। বিশেষ করে প্রথম সন্তান যদি পজিটিভ গ্রুপের রক্ত নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।
তবে দ্বিতীয় সন্তানেরও যদি রক্ত পজিটিভ হয় সে ক্ষেত্রে সমস্যা বেশি হয়। যদি কারো স্বামীর গ্রুপ পজিটিভ ও স্ত্রীর গ্রুপ নেগেটিভ হয়, তবে বাচ্চা ডেলিভারির আগেই চিকিৎসককে জানালে স্ত্রীর শরীরে বিশেষ ইমিউনোগ্লোবিউলিন প্রয়োগ করে মৃত্যুঝুঁকি কমানো যায়।
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হলে কোনও সমস্যা নেই। মূলত শিশুর রক্তের গ্রুপ কী হবে তা নির্ভর করে তার জন্মদাতা মা-বাবার রক্তের গ্রুপের ওপর। মা-বাবার একই গ্রুপ হলে সন্তানেরও একই গ্রুপ হওয়ার কথা। তাই এটা বাড়তি কোনও সমস্যা সৃষ্টি করে না।
তাই বিয়ের আগে সম্ভব হলে রক্তের পরীক্ষা করানো জরুরি। যদি তা না হয়, অন্তত পাত্র-পাত্রীর রক্তের গ্রুপ জানা থাকলে ভবিষ্যতের ব্যাপারে আগে থেকে অনুমান করা যায়।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.