অভিযুক্ত ৪০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই চলছে

 সিটিজেন নিউজ ডেস্ক:
আপডেট: ২০২০-১২-১৩ , ১১:৪১ এএম

অভিযুক্ত ৪০ হাজার মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই চলছে ছবি । সিটিজেন নিউজ

এ বছর বিজয় দিবসের আগে বীর মুক্তিযোদ্ধার পুরো তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও, তা হচ্ছেনা। মুক্তিযোদ্ধার ভাতা পাওয়া তালিকার ৪০ হাজার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসায় কাগজপত্র যাচাইবাছাই করছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়। তবে, ১৬ই ডিসেম্বরে এক লাখের কিছু বেশী বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এদিকে, বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম থাকা সাত জনের বিষয়ে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। 

জীবনের ঝুঁকি জেনেও দেশ স্বাধীন করতে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীদের বিপক্ষে যারা যুদ্ধ করেছিলেন, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হয়নি স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ভারতের দেয়া তালিকা এবং সরকারের লাল মুক্তিবার্তার মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্বীকৃতি পান। এরপর, ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হওয়ার পর সারাদেশে শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরীর কাজ। 

মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, ২ লাখ ৩ হাজার মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। অনেকের নামে অভিযোগ আসায় যাচাইবাছাই শেষে এক লাখ ৮২ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা করেছিলো মন্ত্রণালয়। যা ১৬ই ডিসেম্বরের আগেই প্রকাশ করার কথা জানিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী।

মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের ম্যানেজম্যান্ট ইনফরমেশন সিস্টেম-এমআইএস এর মাধ্যমেই এই এক লাখ ৮২ হাজার মুক্তিযোদ্ধার নামের তালিকা করা হয়েছিলো। বিভিন্ন অভিযোগ আসায় সেই তালিকার ৪০ হাজার জনের কাগজপত্র পূনরায় যাচাইবাছাই চলছে। 

এদিকে, বঙ্গবন্ধুর হত্যার সাথে জড়িত মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম থাকা সাত জনের বিষয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বললেন, মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলেও বঙ্গবন্ধু হত্যার দায়ে তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পাবেনা।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল-জামুকার তথ্য যাচাই বাছাই করে আগামী ২৬ শে মার্চ পর্যন্ততালিকা তৈরীর কাজ চলবে। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবে সরকার।