আদালত প্রতিবেদক:
আপডেট: ২০২০-১২-১৩ , ০৮:৫৯ এএম
ছবি । সিটিজেন নিউজ
কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার চার আসামির মধ্যে মাদ্রাসার দুই শিক্ষক আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন তাদের জবানবন্দী নেন।
এর আগে চার দিনের পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে নেয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক নিশি কান্ত সরকার তাদের আদালতে হাজির করেন।
জবানবন্দী দেয়া দুই শিক্ষক হলেন কুষ্টিয়া শহরতলীর যুগিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার ইবনি মাসউদ (রা.) মাদ্রাসার শিক্ষক ও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল গ্রামের মো. আল আমিন (২৭) এবং পাবনার আমিনপুর থানার দিয়াড় বামুন্দি এলাকার বাসিন্দা মো. ইউসুফ আলী (২৬)। দুই ছাত্র একই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র ও কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার শিংপুর গ্রামের মো. আবু বক্কর ওরফে মিঠুন (১৯) এবং দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গোলাবাড়িয়া গ্রামের সবুজ ইসলাম ওরফে নাহিদ (২০)।
আদালত পুলিশ সূত্র জানায়, দুই মাদ্রাসা শিক্ষক মো. আল আমিন ও মো. ইউসুফ আলীকে আদালতে নেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এরপর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন তার খাসকামরায় প্রথমে ইউসুফ আলীর জবানবন্দী নেন। ঘণ্টাব্যাপী জবানবন্দী শেষে পৃথকভাবে আল আমিনেরও জবানবন্দী নেয়া হয়। সন্ধ্যায় জবানবন্দী শেষে পুলিশের কড়া পাহারায় প্রিজন ভ্যানে করে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলা সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, দুই মাদ্রাসা শিক্ষক আদালতে স্বীকার করেছেন, তারা দুই ছাত্রকে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যেতে বলেছিলেন। গত শনিবার (৫ ডিসেম্বর) ঘটনার পরদিন সকালে খাবার খাওয়ার সময় ওই দুই ছাত্র শিক্ষকদের জানান, তারা রাতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করে এসেছে। এমন কথা শোনার পর ওই দুই শিক্ষক তাদের মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যেতে বলে।
পুলিশ আসামিদের শনাক্তের জন্য মাদ্রাসায় গেলে এ দুজন শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাপারে তথ্য দিতে অস্বীকার করেছিলেন। তারা দুই ছাত্রকে চেনেন না বলে জানান। ছাত্রদের পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় তাদের মামলায় আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ ডিসেম্বর শুক্রবার রাতে কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরের দিন শনিবার রাতে কুষ্টিয়া পৌরসভার সচিব কামাল উদ্দীন এ ঘটনায় বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.