'ই-অকশন' যুগে পা রাখলো চট্টগ্রাম কাষ্টমস

 সিটিজেন নিউজ ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-১০-২৮ , ১০:৩৭ এএম

'ই-অকশন' যুগে পা রাখলো চট্টগ্রাম কাষ্টমস ছবি: সিটিজেন নিউজ

চট্টগ্রাম কাষ্টমস হাউস পা রাখলো 'ই-অকশন' যুগে। এখন থেকে সশরীরে উপস্থিত না হয়ে, প্রয়োজনীয় গোপনীয়তা বজায় রেখেই নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবেন আগ্রহীরা। কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ বলছেন, 'ই-অকশনে'র ফলে নিলাম প্রক্রিয়া যেমন গতি পাবে তেমনি স্বচ্ছতাও নিশ্চিত হবে। সেই সাথে তরান্বিত হবে  রাজস্ব আয়ও। এর ফলে বন্দরে কন্টেইনার রাখার সক্ষমতা বাড়বে বলেও  মত সংশ্লিষ্টদের।

চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার রাখার জন্য যে পরিমাণ জায়গা আছে তার প্রায় এক পঞ্চমাংশই বছরের পর বছর দখল করে আছে নিলামের অপেক্ষায় থাকা নানান পণ্য। রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, মাসে ২ বার বা নুন্যতম ১ বার নিলামে পণ্য বিক্রি করার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতায় নিলাম প্রক্রিয়া চলছে ধীর গতিতে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে চট্টগ্রাম কাষ্টমস হাউসে শুরু হল 'ই অকশন' পদ্ধতি। এর ফলে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় গোপনীয়তা বজায় রেখে সহজেই কাষ্টমস হাউসের  ওয়েবসাইটে গিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারবেন আগ্রহীরা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) যাত্রা শুরু করলো এই 'ই অকশন' পদ্ধতি। একে স্বাগত জানিয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, এর ফলে নিলামে অংশগ্রহণের জটিলতা কমবে।

এই পদ্ধতিকে পর্যায়ক্রমে আরো ব্যবসা বান্ধব করে গড়ে তোলার আহবান জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানালেন,  'ই অকশন' পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে নিলাম প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকার  পাশাপাশি কাজের গতি বাড়বে। সেই সাথে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে৷

আমদানিকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো আমদানিকারক পণ্য না নিলে তাকে নোটিশ দেওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে নিলামে তুলতে পারেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।