সিটিজেন নিউজ ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-১০-২১ , ০৯:১৪ এএম
ছবি: সিটিজেন নিউজ
দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোকে উন্নয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোকে রাতে ফ্লাইট ওঠানামার উপযোগী করতে পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
একনেক সভা শেষে প্রকল্পের সার্বিক বিষয়ে সাংবাদিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম।
একনেক সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক বলেন, অভ্যন্তরীণ রুটে রানওয়ে ও লাইটিং সিস্টেম উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি ভারী যান চলাচলের উপযুক্ত করে মানসম্মত রাস্তা নিমার্ণেরও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সড়ক নির্মাণে বরাদ্দের টাকা যেন যথাযথভাবে খরচ করা হয় তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সভায় ওই প্রকল্পটিসহ মোট ৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৬শ ৬৮ কোটি টাকা। সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে পরিকল্পনা কমিশনের সচিব আছাদুল ইসলাম জানান, সভায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আজকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর তথ্য তুলে ধরে আসাদুল ইসলাম জানান, প্রকল্পে খরচের মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৭৮ লাখ এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৪৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ‘যশোর বিমানবন্দর, সৈয়দপুর বিমানবন্দর ও শাহ মখদুম বিমানবন্দর, রাজশাহীর রানওয়ে সারফেসে অ্যাসফল্ট কংক্রিট ওভারলেকরণ’প্রকল্প ৫৬৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা খরচে বাস্তবায়ন করা হবে। তার মধ্যে ৪৫৩ কোটি ৩৫ লাখ দেবে সরকার এবং ১১৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ‘নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কদমরসুল অঞ্চলে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন’প্রকল্পে খরচ হবে ৩০১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। তার মধ্যে সরকার দেবে ২৭১ কোটি ১৯ লাখ এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
আর একই মন্ত্রণালয়ের ‘মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছে একনেকে। এতে প্রকল্পের খরচ ৫৪৯ কোটি ৩ লাখ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৬০ কোটি ১৫ লাখ থেকে করা হয়েছে ২ হাজার ১০৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া প্রকল্প ২০২২ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আজকের সংশোধনীতে ১ বছর সময় বাড়িয়ে তা করা হয়েছে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত।
সর্বশেষ ও চতুর্থ অনুমোদিত প্রকল্পটি হলো কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘ভূ-উপরিস্থ পানি উন্নয়নের মাধ্যমে বৃহত্তর দিনাজপুর ও জয়পুরহাট জেলায় সেচ সম্প্রসারণ। ২৫১ কোটি ১৫ লাখ টাকা খরচে এই প্রকল্প ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.