আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আপডেট: ২০২৬-০৯-২৭ , ০৩:০৯ পিএম
ছবি: আন্তর্জাল
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আর কোনো আস্থা নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার অভিযোগ, আগের দফার আলোচনার পরও ইরানের ওপর হামলা ও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। সাক্ষাৎকারটি শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রচার হয়।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমেরিকার ওপর আমাদের কোনো আস্থা নেই। তাদের সঙ্গে কীভাবে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব, সেটিও আমরা জানি না।’
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন পেজেশকিয়ান ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সেখানে তারা যুদ্ধ বন্ধ এবং সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি প্রস্তাব দেন।
কী আছে ইরানের প্রস্তাবে?
আরাগচি জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী প্রথম ধাপগুলো সম্পন্ন করতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগবে। ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে এবং সপ্তম দিনে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ অন্যান্য বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরু হবে।
এর বিনিময়ে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কয়েকটি পদক্ষেপ চেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া;
ইরানের তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার;
ইরানের আটকে থাকা প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার সম্পদ ছাড় করা;
লেবানন ও ইয়েমেনসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা।।
মধ্যস্থতায় কাতার ও পাকিস্তান
পেজেশকিয়ান জানান, কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ইরানের বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান আলোচনার ভিত্তি হলো গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া একটি সমঝোতা স্মারক।ওই সমঝোতার মেয়াদ গত মাসে শেষ হয়ে গেছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমে ওই চুক্তি সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, আগের আলোচনার পর হামলা ও নিষেধাজ্ঞার অভিজ্ঞতার কারণে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে সমঝোতায় যাওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বাসের সংকট তৈরি হয়েছে।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.