করোনাে ইস্যুতে ধ্বংসের পথে চিংড়ি শিল্প

 নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২০-০৪-২৩ , ০৯:৫৪ এএম

করোনাে ইস্যুতে ধ্বংসের পথে চিংড়ি শিল্প ছবি: ইন্টারনেট

করোনার প্রভাবে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংড়ি শিল্প এখন ধংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।। নানা কারনে চরম অর্থ সংকটে চাষিরা। তাই ভরা এ মৌসুমে চিংড়ি ঘের তৈরি করেও চাষিরা ঘেরে চিংড়ি পোনা ছাড়তে পারছে না। এমনটাই জানিয়েছেন চিতলমারী উপজেলার চিংড়ি চাষিরা।

চিতলমারী মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় মোট চিংড়ি ঘেরের সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৩০ টি। যার মোট আয়তন ১৭ হাজার ৮৩৩ একর। এরমধ্যে ১৪ হাজার ৭৫৮ টি ঘেরে গলদা ও ২ হাজার ৮৭২ টি ঘেরে বাগদা চিংড়ির চাষ ও ৬ হাজার ৯০০ টি পুকুরে বিভিন্ন মাছের চাষ হয়। এখানের চাষিরা বছরে ৫৮১ মেট্রিকটন বাগদা ও ২ হাজার ৬৫০ মেট্রিকটন গলদা চিংড়ি এবং বিপুল পরিমান সাদা মাছ উৎপাদন করে থাকেন। এখানে ৭ হাজার ৫০০ জন মৎস্য চাষি ও ২ হাজার ৭০২ জন মৎস্যজীবি রয়েছেন। সেই সাথে এই চিংড়ি শিল্প ও মাছ চাষের সাথে এ অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের ভাগ্য জড়িত রয়েছে।

এ বছরের শুরুতে ঋণগ্রস্থ চাষিরা চিংড়ির উৎপাদন দেখে অনেকটা আশায় বুক বেধে ছিলেন। মাছ বিক্রি করে তাদের ধারদেনা মিটবে। কিন্তু হঠাৎ করে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।