বিক্ষোভ হস্তক্ষেপে ‘না’

ফেডারেল স্থাপনায় ‘জিরো টলারেন্স’

 শহীদুল্লাহ ওসমানী। ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
আপডেট: ২০২৬-০২-০১ , ০৭:১৭ পিএম

ফেডারেল স্থাপনায় ‘জিরো টলারেন্স’ ছবি: নাগরিক পত্রিকা

ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত শহরগুলোতে চলমান আইস বিরোধী বিক্ষোভে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ বা আইসকে  হস্তক্ষেপ না করতে নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে কোন শহরের কর্তৃপক্ষ ফেডারেল সহায়তা চাইলে ব্যবস্থা নিবে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েমকে এ নির্দেশ দিয়েছেন। 

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, বিক্ষোভে থেকে যদি ফেডারেল কর্মকর্তাদের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর বা পাথর নিক্ষেপ করা হয়- তাহলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এছাড়া ফেডারেল ভবন ও আদালত রক্ষায় আইস ও বর্ডার প্যাট্রোল সক্রিয় থাকবে বলেও জানান তিনি।

মিনেসোটা স্টেটের মিনিয়াপোলিসে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট- আইস এজেন্ট মোতায়েনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ দানা বাঁধে মাত্র ক'সপ্তাহ আগে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে সেখানে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু শুধু অভ্যন্তরে নয়, দেশের বাইরেও আমেরিকার ভাবমূর্তিতে প্রচণ্ড ধাক্কা দেয়।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অপরাধী অভিবাসীদের বিতাড়নের ঘোষণা দেন। এবং, ডেমোক্র্যাটশাসিত নীল স্টেট ও সিটিগুলোতে (ডেমোক্র‍্যাটদের সঙ্গে খুব সম্পর্কিত রঙ নীল) ফেডারেল এজেন্ট পাঠান। প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত একনায়কসূলভ, এমন আখ্যা দিয়ে গত বছরের ১৪ জুন আমেরিকাজুড়ে 'নো কিং' কর্মসূচি শুরু করে ২শ'রও বেশি সামাজিক সংগঠনের কোয়ালিশন।

এক বছর ধরে এসব বিক্ষোভে গা করেননি প্রেসিডেন্ট। ধার ধারেননি। এখন যে একদম আচরণের ইউটার্নে আছেন তিনি, তা কিন্তু নয়। তবে, মিনিয়াপোলিস তাকে খানিক ভাবতে আর ধারতে শিখিয়েছে। দু'টি প্রাণের বিনিময়ে।