মরক্কো থেকে ৮ লাখ টন সার আমদানি করছে সরকার

 সিটিজেন নিউজ ডেস্ক:
আপডেট: ২০২১-০২-০৩ , ১০:৪৩ এএম

মরক্কো থেকে ৮ লাখ টন সার আমদানি করছে সরকার ছবি । সিটিজেন নিউজ

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পৃথক দুটি চুক্তির মাধ্যমে মরক্কো থেকে ৮ লাখ টন সার আমদানি করা হবে। মরক্কোর রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ওসিপি ও বাংলাদশে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী এসব সার কেনা হবে।

এতে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৪২ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৪ লাখ ৪০ হাজার টন ডিএপি সার কিনতে ব্যয় হবে ২ হাজার ১৫৫ কোটি ৭৭ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা এবং ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার কিনতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৩৭ কোটি ১৯ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।

জানা গেছে, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে সার গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। দেশের কৃষি উৎপাদনে ডিএপি সারের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে বিএডিসির মাধ্যমে ওসিপি থেকে রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় ২০১০-১১ অর্থবছর থেকে ডিএপি ও টিএসপি সার আমদানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ডিএপি সারের বাৎসরিক চাহিদা প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে বিএডিসি রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ৯ লাখ মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানি করে। চাহিদার অবশিষ্ট ডিএপি সার বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা হয়।

বিএডিসি এবং ওপিসির মধ্যে ২০২০ সালে সম্পাদিত চুক্তির কার্যক্রম শেষ হওয়ায় বিদ্যমান চুক্তির শর্তগুলো অভিন্ন রেখে গত ১৩ জানুয়ারি পুনরায় চুক্তি নবায়ন করা হয়। ওই চুক্তির আওতায় ওপিসি থেকে ১১ লটে ৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রি টন ডিএপি সার আমদানি করবে বিএডিসি। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সরাসরি ডিএপি সার কেনার জন্য ওসিপি এবং বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি আছে।

চুক্তি অনুযায়ী, সারের আন্তর্জাতিক বাজার দর সংক্রান্ত দুটি প্রকাশনা আরগুস ফসফেট ও ফার্টিকনে প্রকাশিত এফওবি দরের গড় থেকে ১০ মার্কিন ডলার বিয়োগ করে আমদানিতব্য সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫৭৬.৭৫ মার্কিন ডলার। সে হিসেবে ৪ লাখ ৪ লাখ ৪০ হাজার টন ডিএপি সার কিনতে মোট ব্যয় হবে ২৫ কোটি ৩৭ রাখ ৭০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ১৫৫ কোটি ৭৭ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা।

অন্যদিকে, মরক্কোর ওসিপি থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৪৩৭.২৫ মার্কিন ডলার। সে হিসেবে মোট ব্যয় হবে ১৫ কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। প্রতি মার্কিন ডলার ৮৪.৯৫ টাকা হিসেবে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৩৭ কোটি ১৯ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা।