ধর্ষণের পর হত্যা; আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

 কক্সবাজার প্রতিনিধি
আপডেট: ২০২০-০৫-১২ , ১১:১৭ এএম

ধর্ষণের পর হত্যা; আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ছবি: সিটিজেন নিউজ

কক্সবাজারে ধর্ষণের পর তরুণীকে হত্যার প্রধান আসামি সাজ্জাদ হোসেন (৪০) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২মে) ভোর রাত ৩টার দিকে এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কের চকরিয়ার কোনাখালী মরংঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দেশিয় তৈরি দুটি এলজি, কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি এবং ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

এর আগে সোমবার সকালে স্থানীয় জনতা চম্পা ধর্ষণ মামলার সন্দেহভাজন প্রধান আসামি সাজ্জাদ হোসেনকে নিজ এলাকা পেকুয়া সদর ইউনিয়নের শেখের কিল্লা ঘোনা থেকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে। সে ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। পরে তাকে চকরিয়া থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশের দাবি, সাজ্জাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, চুরি, ইয়াবা কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে মামলা রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, তরুণী ধর্ষণ ও খুনের মামলার প্রধান আসামি সাজ্জাদকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে গেলে অভিযানে গেলে ধর্ষক সাজ্জাদের সহযোগী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় ২০ মিনিট ধরে উভয়পক্ষে গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে পিছু হটে সাজ্জাদের অস্ত্রধারী সহযোগীরা।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষক সাজ্জাদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ, দেশিয় তৈরি দুটি এলজি, বেশ কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি ও ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, বিবাহিত তরুণী চম্পা বেগম গত ৬ মে চট্টগ্রাম থেকে এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়ক হয়ে কক্সবাজার আসার সময় পেকুয়ায় এসে গাড়ি বদল করে। পেকুয়া থেকে চকরিয়ার দিকে আসার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠলে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চকরিয়ার কোনাখালীর মরংঘোনার নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে দুই সিএনজি চালক। এর পর চলন্ত অটো থেকে অপর গাড়ির সামনে ছুঁড়ে ফেলে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।