দুর্নীতি: স্বাস্থ্যের ৩ পদে ২৮৩৯ নিয়োগ বাতিল

 স্বাস্থ্যসেবা ডেস্ক
আপডেট: ২০২১-০৯-২২ , ০৮:৫০ এএম

দুর্নীতি: স্বাস্থ্যের ৩ পদে ২৮৩৯ নিয়োগ বাতিল ছবি: ইন্টারনেট

মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান এবং কার্ডিওগ্রাফার পদে ২৮৩৯ জনবল নিয়োগ বাতিল করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ওই পদগুলোতে নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে বলে সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব আনজুমান আরা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়। 

মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের আওতাধীন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান ও কার্ডিওগ্রাফার পদে নিয়োগে দুর্নীতির বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি থেকে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধিদফতরের আওতাধীন ওই তিন পদে জনবল নিয়োগের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, যেহেতু তদন্ত প্রতিবেদনে লিখিত পরীক্ষার খাতায় অস্পষ্টতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে, সেহেতু নিয়োগ কার্যক্রম বাতিলপূর্বক অল্পসময়ে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে পুনঃরায় নতুন নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। ইতোপূর্বে যারা আবেদন করেছেন তাদের নতুন করে আবেদনের প্রয়োজন নেই। তারা নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী স্বাস্থ্য অধিদফতরের আওতাধীন ৩য় শ্রেণির কর্মচারীদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের আওতাধীন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান ও কার্ডিওগ্রাফার পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে মন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী গত বছরের ২৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদফতর মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট পদে ৮৮৯জন, মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান পদে ১৮০০জন এবং কার্ডিওগ্রাফার পদে ১৫০ জনের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। 

ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট পদে ২৩ হাজার ৫২২ ও মেডিক্যাল টেকনিশিয়ানদের বিভিন্ন গ্রুপে প্রায় ৫০ হাজার জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়। গত ১২, ১৮ এবং ১৯ ডিসেম্বর লিখিত পরীক্ষাও নেয়া হয়। 

এরপর চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ও ১০ মার্চ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষাও নেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। পরে পরীক্ষায় অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে গত ১৩ এপ্রিল এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।