নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২৬-০১-০৭ , ০৯:১৩ এএম
ছবি: নাগরিক পত্রিকা
শীতের তীব্রতায় সারা দেশ কাঁপছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বুধবার (৭ জানুয়ারি) ১০ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে প্রকাশিত নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিনে বলা হয়, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে।
এই পরিস্থিতিতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের আবহাওয়া আংশিক মেঘলা ও শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে থাকা জেলার মধ্যে রয়েছে- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া। এ সময়ে দেশের রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও কুয়াশার কারণে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকবে।
সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারা দেশে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার রাজশাহীতে তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা চলতি মৌসুমে সর্বনিম্ন। রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ বলেন, বায়ু দূষণের কারণে বাতাসে বেড়েছে ভাসমান বস্তুকণা। এতে কাটছে না কুয়াশা। যে কারণে সূর্যের আলো পাওয়া যাচ্ছে কম। এতে বাড়ছে শীতের অনুভূতি।
এদিকে তীব্র শীতে খেটে খাওয়া মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.