ঢাকায় পেঁয়াজের দাম আরও বেড়ে ১২০ টাকা

 নাগরিক পত্রিকা ডেস্ক
আপডেট: ২০২৫-১১-০৫ , ০২:০২ পিএম

ঢাকায় পেঁয়াজের দাম আরও বেড়ে ১২০ টাকা ছবি: নাগরিক পত্রিকা

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম দিনের ব্যবধানে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গতকাল ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ আজ (৫ নভেম্বর) ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর মুগদা, বাসাবো, মালিবাগ ও মগবাজারে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এসব বাজারে দেখা যায়, মুদি দোকানগুলোতে মানভেদে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে এসব বাজারে ভ্যান গাড়িতে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ কিছুটা কম দামে, ১০০ থেকে ১০৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

একজন মুদি বিক্রেতা বলেন, গত শুক্রবারও ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা দরে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। দুদিন আগেও ৯০ টাকায় বিক্রি করেছি। আজ তুলনামূলক কিছুটা ছোট পেঁয়াজ ১১০ টাকা এবং বড় সাইজের বাছাইকৃত পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধানত দুটি কারণে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দামে এমন উল্লম্ফন হচ্ছে। একটি হলো- ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকা এবং অন্যটি রবি মৌসুমের পেঁয়াজ আসতে দেরি হওয়া।

কারওয়ান বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানে আজ মানভেদে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০৫ টাকা কেজি দরে, যা গত শুক্র-শনিবারও বিক্রি হয়েছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকায়।

আড়তদাররা বলছেন, ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ থাকায় দেশি পেঁয়াজের ওপর চাপ বেড়েছে। এ ছাড়া, রবি মৌসুমের পেঁয়াজ এখনও বাজারে তেমন না আসায় সংকট তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আমদানি চালু না হলে বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়তে পারে।

পেঁয়াজ আমদানিকারক ও শ্যামবাজার পেঁয়াজ আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ বলেন, গত তিন মাস ধরে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সংকট চলছে। দেশে এখন আর পেঁয়াজের তেমন মজুত নেই। যার কারণে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। ভারতে এখন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১৫ টাকা কেজিতে। তাই দেশে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত আমদানির বিকল্প নেই।

এ দিকে, পেঁয়াজ চাষীরা বলছেন, এ বছর বিভিন্ন জেলায় পেঁয়াজ রোপণ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। এর ফলে রবি মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতেও কিছুটা দেরি হচ্ছে। অন্যান্য বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকেই রবি মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করে। এ বছর অনেক জেলায় এখনো পেঁয়াজ জমি থেকে উত্তোলন সম্ভব হয়নি।