নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ২০২০-১১-২৫ , ০৮:৩৪ পিএম
ছবি: সিটিজেন নিউজ
সিলেটে পুলিশি নির্যাতনে রায়হান নিহতের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার আরও তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আকবর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরের তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী নতুন করে এই তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসএমপি কমিশনার নিশারুল আরিফ।
বরখাস্ত হওয়া তিন কর্মকর্তা হলেন- ঘটনার দিন কোতোয়ালি থানার ওসি হিসেবে দায়িত্বে থাকা ইন্সপেক্টর (ওসি তদন্ত) সৌমেন মৈত্র ও রায়হান হত্যা মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই আব্দুল বাতেন ভূঁইয়া এবং ঘটনার রাতে বন্দর ফাঁড়িতে দায়িত্বরত এএসআই কুতুব আলী।
নিশারুল আরিফ বলেন, ইন্সপেক্টর সৌমেনকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত করে ক্লোজ করা হয়েছে। বরখাস্তকৃত বাতেন ও কুতুব আলীকে সিলেট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে ঘটনার মূলহোতা আকবরসহ ৯ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হল।
জানা যায়, ১০ অক্টোবর গভীর রাতে রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে নির্যাতনের পরদিন সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। ১১ অক্টোবর গভীর রাতেই রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন।
পাশাপাশি এসএমপির তদন্ত কমিটি অনুসন্ধান শেষে প্রাথমিক সত্যতা পায়। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী- নির্যাতনে সরাসরি অংশগ্রহণের জন্য বন্দর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন, কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া, টিটু চন্দ্র দাস ও হারুনুর রশীদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
আর রায়হানকে ধরে ফাঁড়িতে আনার জন্য বন্দরবাজার ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এএসআই আশেক এলাহী, কুতুব আলী, কনস্টেবল সজীব হোসেনকে। কিন্তু ১২ অক্টোবরই তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আকবর ছাড়া বাকিদের নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়া হলেও আকবরকে খুঁজে পায়নি এসএমপি পুলিশ। এ নিয়ে নানা সমালোচনা শুরু হলে ১৯ অক্টোবর আকবর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশের কেউ দায়ী কিনা, তা অনুসন্ধানে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ সদর দফতর।
Editor-in-Chief : Roman Sheikh
Telephone : +88 02-3333 98 040
Mobile : +88 017 111 43 818
Email Address :
news@nagorikpatrika.com.bd
editor@nagorikpatrika.com.bd
roman.nagorikpatrika@gmail.com
Address
Naya Nagar, Word-1, (KCC-Kotwali)
Uttara-12, Dhaka, Bangladesh.